vertical menu css by Css3Menu.com

Journal - Volume 1, Issue 1, December 2015

Usage of Classifiers in Thai
Phramaha Singkhon Kuakkhuntod
Abstract Classifier can be defined as a word or morpheme which is used with numerals, nouns and verbs, denoting some perceived or imputed characteristics of the entity to which it is associated. Classifiers can be both generic and specific. Thai classifiers form a linguistic system of great richness and complexity. Classifiers exhibit many vital functions, both morpho-syntactic and semantic. The Thai language exemplifies universal patterns of classifier systems. It has been observed to be constructed on an interesting blend of arbitrary linguistic convention and extra-linguistic motivation. Taking cues from the earlier studies regarding the usage pattern of classifiers, the present study attempts to deal with the usage of classifiers among the native speakers of Thai belonging to different age groups. The data have been collected from the Thai speakers belonging to both the sexes and from different educational backgrounds. Both the linguistic and extra linguistic factors that are involved in such a grammatical construction have been taken into consideration for the purpose. A field investigation has been conducted to have a glimpse at the usage pattern of the Thai classifiers among the native speakers of the language.
Keywords semantic, extra linguistic, universal, usage, generic, specific
Development of Pharmaceutical Industries with Special Reference to Colonial India
Malika Basu (Ghosh)
Abstract Since time immemorial, India had its own enriched tradition, heritage and natural wealth. Reflections of development are evident in Indian civilization in different aspects of life like art, architecture, geometry, mathematics, astronomy and medical science. Along with the development of different scientific traditions, development of alchemy and its application for human welfare was also an important foot step in Indian scientific tradition. In this connection, the development of pharmaceutical industries comes naturally as an integral part of alchemy.

Keeping this backdrop in mind, the aim of the present endeavour is to understand the history and development of pharmaceutical industry in colonial India. Here the development of ‘pharmaceutical’ industries is an illuminating lens which enables the present researcher to understand the interaction and interrelation between Indian traditions of thought and western science and the subsequent development of the pharmaceutical industries during colonial period in the Indian subcontinent. Therefore, the above aim will be highlighted through the following objectives – (i) to understand the nature of development of pharmaceutical industries in the West? (ii) What kind of scientific revolution took place in India under colonial hegemonisation? (iii) to understand the developmental discourse of industry and specifically the pharmaceutical industry in colonial India? and finally (iv) how the socio-economic and socio-political perspectives cumulatively lead to the emergence of pharmaceutical industries in India? In brief, the present paper attempts to understand the developmental discourse of indigenous pharmaceuticals in colonial India under the shadow of scientific impetus, colonial hegemonisation and economic nationalism. The study reveals that socio-historical and socio-political contexts ultimately led to the emergence of ‘indigenous pharmaceutical industry’ in the convergence of colonial industrialization, economic nationalism and modern cultures of consumption.
Keywords Alchemy, Chemistry, Pharmaceutical, Industries, Colonial India
Bhanubhakt Acharya
Soma Banerjee
Abstract Bhanubhakt Acharya’s uniqueness lies in the presentation of a hero more than a deity or godhead. In Bhanubhakt Acharya, the Adikavi of Nepal, we glimpse a uniquely brilliant individual, a persona who was strikingly ahead of his times, and whose ideas were iconoclastic and avant-garde. His freedom from western influence helped him not to intrude upon his style. The very flavour of his native country-Nepal is palpable in his creation. The present article deals with the sense of naivety, religious fervor and warm heartedness of the poet. Among his greatest achievements his sensitive translation of the great epic Ramayana from classical Sanskrit to work-a-day Nepalese has been viewed with importance.
Keywords humanity, adikavi, epic, naivety, consciousness
A Socio-Cultural Study of Two Sylvan Gods of South Bengal:Banabibi,Dakshin Ray
Arpita Basu
Abstract This study is based on two folk godlings of Sundarban region i.e. Banabibi and Dakshin Ray, two major sylvan god and goddess of this area and different myths and legends associated to them. In this article an attempt has been made to find out their characteristic features and stories related to them as well as to analyze them from socio-cultural perspective to get a continued history of the region’s culture and society, from the primitive period to the modern times.
Keywords folk-godlings, sylvan-dwelling, Sundarban, folktales, myths, legends
Prehistoric Survey in Lower Suvarnarekha Valley
Banani Bhattacharyya
Abstract Paschim Medinipur is located in the western part of the West Bengal. It is touching the border of Jharkhand state in the west and Orissa in the southwest. This district is well known in archaeological literature for its rich cultural heritage. Social evolution has been started in this region as before as 15,000,00 years ago. Pre-historic features of this region can be proved from its Stone Age evidences, which are collected from the river-beds of Subarnarekha, Kansavati and Tarapheni.

The sites here have not been so well known except to a select band of scholars. The sites have been described on a regular basis over almost the past two centuries. Some later scholars have reviewed the early sites to see if they can yield further data. As a result, this rich yield needs to be contextualized and put together. The area of my present study is concentrated in southwestern part of the district mainly in lower Subarnarekha basin. Extensive explorations were carried out in this area in November 2011.The present paper covers the Prehistoric culture which, would project a scenario of the Prehistoric way of life of the prehistoric hunters-gatherers in this region.
Keywords Culture, heritage, social evolution, prehistory, stone age, Holocene, Pleistocene, Subarnarekha, Chhotonagpur plateau, artefact, Palaeolithic
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখোশ-নৃত্য ও পুরুলিয়ার ছো
চণ্ডীচরণ মুড়া
Abstract মানব সভ্যতা ও সংস্কৃতির আদিলগ্নেই জীবনছন্দের সঙ্গে তাল রেখে একান্ত বাস্তব প্রয়োজনেই নৃত্যকলার সূচনা ঘটে। জীবনের জন্য শিকারের প্রস্তুতি, পশু ও বিরুদ্ধ-গোষ্ঠীর সঙ্গে টিঁকে থাকার লড়াই এবং অস্তিত্বের জন্য সংগ্রামের প্রয়োজনে যূথবদ্ধ চেতনার জন্ম ও ক্রমশ সচেতন প্রয়াসে আদিম মানব আরণ্যক পরিবেশেই স্বতস্ফূর্তভাবে নৃত্যের উদ্ভাবন করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে যে জীবনছন্দ ছিল অস্তিত্বের সংগ্রামের আবশ্যিক দেহভঙ্গি, তাই পরিবর্তিত নূতন আর্থসামাজিক পরিবেশে সরলভঙ্গিতে সৃষ্টি করল লোকনৃত্য। অর্থাৎ সভ্যতা ও সংস্কৃতি প্রবাহে সংহত লোকসমাজের সামগ্রিক প্রয়োজনে, সমষ্টিগত সচেতন প্রচেষ্টায়, সহজাত প্রবৃত্তিজাত আকাঙ্ক্ষার আবেগে প্রয়োগ-নির্ভর, শৈল্পিক দেহভঙ্গির ঐতিহ্যবাহী স্বতস্ফূর্ত প্রতীক প্রকাশক নৃত্যই লোকনৃত্য। এই লোকনৃত্যে যতই সূক্ষ্ম বুদ্ধি ও মননের প্রলেপ পড়েছে ততই তার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে পরিশীলিত ও সূক্ষ্ম শিল্পরুচির ছাপ। আমার আলোচনার বিষয় পরিশীলিত নৃত্য নয়, লোকনৃত্য, যে নৃত্যে মুখোশের ব্যবহার আছে এবং তা সীমাবদ্ধ থাকবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখোশ-নৃত্য ও পুরুলিয়ার ‘ছো’ এর মধ্যে।
Keywords সংস্কৃতি, শিল্পরুচি, মুখোশ, আদিবাসী, ছদ্মবেশ, জাদুভঙ্গিমা, পৃষ্টপোষকতাতা
নারীর ক্ষমতায়নঃ উত্তর-পূর্বের প্রতিবাদী পটভূমিতে একক প্রতিবাদ
সুমনা বসু (দে)
Abstract উত্তর-পূর্ব ভারত তথা সাত বোনেদের রাজ্য, (মণিপুর, মিজোরাম, মেঘালয়, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, নাগাল্যাণ্ড) বহু জাতি উপজাতি অধ্যুষিত; ভাষাগত, অঞ্চলগত বৈচিত্র যেমন প্রকৃতিতে, তেমনই সংস্কৃতিতে বিদ্যমান। তাই কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট—এর আলোচনায় বেজিং এর নারী সম্মেলন (১৯৯৫) ও পরবর্তি সঃম্মেলনগুলিতে লিঙ্গবৈষম্য মুছে ফেলে সুস্থ সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত হিসেবে নারী-পুরুষের যৌথ অধিকার ও দায়িত্বের সুষ্ঠু রূপায়ণের যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে তার ফলশ্রুতিতে উত্তর-পূর্ব ভারতের নারীদের অবস্থা আলোচনাযোগ্য হয়ে ওঠে। আপাতভাবে অবশিষ্ট ভারতের সঙ্গে তুলনায় উত্তর-পূর্ব ভারতে নারীদের অবস্থান উন্নত মনে হলেও বাস্তব চিত্রটি এর বিপ্রতীপ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র, জীবিকা, যোগাযোগহীনতা, নারী পাচার, মাদক, চোরাচালান প্রভৃতির মানদণ্ডে উত্তর-পূর্বের মেয়েদের সার্বিক বিকাশের চিত্রটি একেবারেই উজ্জ্বল নয়। সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব শান্তির বাতাবরণে। কিন্তু উত্তর- পূর্বের অধিকাংশ রাজ্যই একাধিক বিপ্লব, বিক্ষোভে রক্তাক্ত; মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়ে চলেছে পদে পদে। মণিপুরে রাষ্ট্রীয় আফস্পা আইনের অপব্যবহার জনজীবনে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে আরও বেশি। বিগত কুড়ি বছরে নানা সময়ে মেয়েরা এই আইনের শিকার হয়েছে। মণিপুরের নারীরে চিরকালই আন্দোলনে এগিয়ে এসেছেন। একবিংশ শতকেও তাই হিংসার প্রেক্ষিতে অহিংস প্রতিবাদে অনশনকে হাতিয়ার করে ন্যায়, শান্তি ও ভালবাসার দাবি নিয়ে এগিয়ে এসেছেন এক নারী – যাঁর জীবন ও কার্য তাই তাই বিশেষ আলোচনার দাবি রাখে। নারীর ক্ষমতায়নের ইতিহাস হল বহুরৈখিক, বহুমাত্রিক, বহুস্তরীয় ও বহুচর্চিত, যার অভিমুখ বহুধাবিভক্তও বটে। তাই হিংসার প্রেক্ষিতে অহিংস প্রতিবাদের নিঃসঙ্গ মুখটি নারীর ক্ষমতায়নেরই দ্যোতক হয়ে ওঠে
Keywords লিঙ্গবৈষম্য, সুস্থ, অহিংস, বিপ্লব, নিরাপত্তা, নৈতিকতা, মানসিকতা, মণিপুর
© Kolkata Society For Asian Studies (2018) Powered By : ProSoft